Monday, November 1, 2010

রাজবাড়ীতে চার হাজার একর খাসজমি অনাবাদি : এসব জমি আবাদ করা হলে বছরে ১৪ কোটি টাকার ফসল উত্পাদন সম্ভব

রাজবাড়ীতে চার হাজার একর খাসজমি অনাবাদি : এসব জমি আবাদ করা হলে বছরে ১৪ কোটি টাকার ফসল উত্পাদন সম্ভব

জহুরুল হক রাজবাড়ী
বিপুল সম্ভাবনা সত্ত্বেও এখনও অনেকটা অনাবাদিই পড়ে আছে রাজবাড়ী জেলার ৪ হাজার একরেরও বেশি বন্দোবস্তযোগ্য কৃষি খাসজমি। অথচ সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এসব জমি আবাদের আওতায় আনা হলে বছরে প্রায় ১৪ কোটি টাকার বাড়তি খাদ্যশস্য উত্পাদন করা সম্ভব হবে।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক সৈয়দা সাহানা বারী জানান, জেলায় মোট কৃষি খাসজমির পরিমাণ ১৫ হাজার ৬১২ দশমিক ৬৫ একর। এর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে বন্দোবস্ত দেয়া হয়েছে ৫ হাজার ৩০২ দশমিক ৯৪৪ একর। এখনও বন্দোবস্তযোগ্য কৃষি খাসজমি পড়ে আছে ৪ হাজার ১৫৩ দশমিক ৪২ একর। বন্দোবস্তযোগ্য নয় এমন কৃষি খাসজমির পরিমাণও কম নয়। জেলায় এ ধরনের জমি রয়েছে ৬ হাজার ২৪৬ দশমিক ৫০৫ একর।
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি সরকারি খাসজমি অবৈধ দখলদারমুক্ত করতে জেলায় ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু হওয়ায় ১ হাজার ৭২ দশমিক ৪২ একর জমি ভূমিগ্রাসীদের কবল থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও বন্দোবস্তের ৩ হাজার ৮১ একর জমি রয়েছে অবৈধ দখলদার ভূমিগ্রাসী ও ভূমিদস্যুদের হাতে।
রাজবাড়ীর বিল রাধাগঞ্জ, হরিণধারা চরপদ্মা, সাদারচর, বালিয়াকান্দির বিল পাকুরিয়া, বিল পুঠিয়া, ভাটি খালকুলা, খালকুলা, বিলকামাই, পাংশার চরহাবাসপুর, বিল নুরুদ্দিনপুর এবং গোয়ালন্দের চর কর্নেশন, কাশিমপুর, চর কাশিমপুর, চরদিয়ারা, দেবীপুর এলাকা ঘিরেই রয়েছে অধিকাংশ খাসজমি। এসব খাসজমির দখলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে ভূমিগ্রাসী চক্র।
রাজবাড়ীর বিল রাধাগঞ্জের কৃষক আবদুল মজিদ, আমির সেখ, আবদুর রাজ্জাক, বিল পাকুরিয়ার শাহ আলমসহ অনেকেই জানান, গত কয়েক বছরে এসব ভূমির মালিকানা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বিরোধের জের ধরে হামলা-মামলা ও হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। এখনও বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে উচ্চ আদালতে একাধিক মোকদ্দমা বিদ্যমান রয়েছে। এসব বিরোধের কারণে আজও সুষ্ঠুভাবে এসব জমি পূর্ণাঙ্গভাবে আবাদের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। অথচ দরিদ্র কৃষক পরিবারের অনেকেই এখন হয়রানি মামলা মাথায় নিয়ে জীবনযাপন করছেন।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউপি সদস্য নাহিদ সেখ বলেন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ কোনো কোনো সময় বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিলেও শেষ পর্যন্ত তা ধোপে টেকেনি। এসব জমি স্থানীয় যুবক, ভূমিহীন কৃষিজীবীদের মধ্যে বরাদ্দ ফসল চাষ ছাড়াও মত্স্য চাষের আওতায় আনা যেত। রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ জয়নুল আবেদীন বলেন, সুষ্ঠু নীতিমালার আলোকে প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে বরাদ্দ দেয়া হলে এসব জমি রাজবাড়ীর কৃষিতে উলেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের মতে, বাড়িঘর-রাস্তাঘাটের জন্য এক-তৃতীয়াংশ জমি বাদ দিয়ে প্রকৃতভাবেই জেলার ১ হাজার ১২১ হেক্টর জমি আবাদের আওতায় আনা সম্ভব। আর এসব জমি রবি, খরিপ-১ ও খরিপ-২ মৌসুমে আবাদ করা গেলে বছরে উত্পাদিত হবে ১৪ কোটি টাকা মূল্যের বাড়তি খাদ্যশস্য। যা রাজবাড়ী জেলার খাদ্য চাহিদা পূরণে বিরাট সহায়ক হবে।
Source: Daily Amardesh

ডেনিম ড্রিম: লক্ষ কোটি টাকা আয়ের হাতছানি

ডেনিম ড্রিম: লক্ষ কোটি টাকা আয়ের হাতছানি

আরাম আর স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠা ক্যাজুয়াল জিন্স, জ্যাকেট ও নানা ডেনিমওয়্যার বিশ্ববাজারের পোষাক বিক্রির উল্লেযোগ্য অংশ। স্বাচ্চন্দ্যের সুবিস-ৃত এই বিশ্ববাজারে বাংলাদেশ একটি অনিবার্য অনুষঙ্গ।

ইউরোপ আমেরিকার কোন কিশোর, তরুন বা প্রৌঢ়ের পরিহিত জিন্সটির ভেতরে নির্দিষ্ট স্থানে একটি ছোট লেবেলে মেড-ইন-বাংলাদেশ- এতো খুবই সাধারন এখন।

ডেনিমওয়্যারের পরিমানগত রপ্তানীতে চিনের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। চাট্টিখানি কথা নয়- সারা বিশ্বে ব্যবহৃত একটি জনপ্রিয় পণ্যের দ্বিতীয বৃহত্তম উৎপাদক বাংলাদেশ!

আট হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বিশ্ববাজার ডেনিম পোষাকের, আর সেখানে বাংলাদেশের ডেনিম পোষাক রপ্তানী প্রায় সাড়ে তিনশ কোটি মার্কিন ডলার।

গড়ে কম মূল্যের ডেনিম পোষাক রপ্তানী করে বলেই বাংলাদেশ দ্বিতীয় বৃহত্তম সরবরাহকারী হওয়া স্বত্বেও বিশ্ব ডেনিম বাজারে তার শেয়ার শতকরা চার শতাংশেরও কম। তুরস্ক, তিউনিশিয়া বা মেস্কিকোর মতো উন্নত ও দামি ডেনিমের ফ্যাশন জিন্স রপ্তানী করতে পারলে বর্তমান পরিমানেই আয় হতো এখনকার দ্বিগুণ। পরিমান বাড়লে আরো শত কোটি বা হাজার কোটি মার্কিন ডলার আয় হতো।

এমন সপ্ন বোধহয় আর সুদূর পরাহত নয়। বাংলাদেশের ডেনিম শিল্পের সামপ্রতিক সমপ্রসারণ আর মূল্য-সংযোজন প্রচেষ্টায় উঁিক দিচ্ছে এক ডেনিম ড্রিম, এক উজ্জ্বল আগামী।

মাসখানেক আগে ভারতীয় ডেনিম উৎপাদক অরবিন্দ যখন কুিমল্লা ইপিজেড একটি আধুনিক ডেনিম কারখানা স্থাপনের ঘোষণা দেয়, তখন ব্যাপারটি সবার দৃষ্টিতে আসে। ভেতরে ভেতরে স্থানীয় উৎপাদকেরাও সমপ্রসারণ আর আরো উন্নত ডেনিম তৈরীর উদ্যোগ নিয়েছে।

স্থানীয় উদ্যোক্তাদের আছে বিশের অধিক ডেনিম কারাখানা। এর অর্ধেকেরও বেশি এখন উৎপাদন ক্ষমতা সমপ্রসারনে নেমে গেছে। আরো আধুনিক ডেনিম-ফ্যাশন ডেনিম বা প্রিমিয়াম ডেনিম- উৎপাদনের জন্য আধুনিক মেশিনারী স্থাপন করছে।

গত ৫-৭ বছরে স্থাপিত হওয়া ডেনিম কারখানাগুলো বেশিরভাগ এমনিতেই অনেকটা অগ্রসর প্রযুক্তি নিয়ে স্থাপিত। এখন আরো অগ্রসর প্রযুক্তি আসছে। দেশের বৃহত্তম পারটেক্স ডেনিম এর উৎপাদন ক্ষমতা দ্বিগুণের বেশি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে উদ্যোক্তা। আগামী বছরেই মাসিক ৫০ লক্ষ গজ উৎপাদন ক্ষমতায় গিয়ে এটি হবে এশিয়ার বৃহৎ ডেনিম মিলগুলোর একটি।

পারটেক্স ডেনিম এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, শওকত আজিজ রাসেল বলেন, বর্ধিত চাহিদার নিরিখেই প্রকল্প সমপ্রসারণ হচ্ছে। তার মতে, উৎপাদন খরচ আরো বৃদ্ধি ও শ্রমিক সংকটে পড়ে চিনা রপ্তানীকারকেরা যখন বায়ারদের অর্ডার ঠিকমত দিতে পারছেন না, তখন তারা অর্ডার বাড়াতে চাচ্ছে বাংলাদেশে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানী পণ্য ডেনিমওয়্যার এর ভবিষ্যত আরো ভালো দেখেই তারা বিশাল বিনিয়োগের সাহস করেছেন। ''শুধু গ্যাস আর বিদু্যতের নিশ্চয়তা যদি দিতে পারতো সরকার আরো তবে অনেক বেশি সাহসী হওয়ার সাহস ছিলো বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের।" বললেন, রাসেল, যিনি স্বাগত জানান অরবিন্দকেও।

বিশ্বের ৩য় বৃহত্তম ডেনিম উৎপাদক, অরবিন্দ এর সিইও, আমির আখতার বলেন, বাংলাদেশের ডেনিমওয়্যার উৎপাদকদের তারা ডেনিম কাপড় সরবরাহ করে আসছিলেন ভারত থেকে। স্থানীয় উৎপাদন দিয়ে এবার তাদের ক্রেতাদের চাহিদা মিটবে। অরবিন্দ কুমিল্লায় তাদের কারখানার পাশে ডেনিমওয়্যার সেলাই কারখানাও করবে লিভাইস ও ডিজেল এর মতো বিখ্যাত ব্রান্ডগুলোর জন্য।

আরগন ডেনিম ও ইভিন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান, আনওয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, এতোদিন বাংলাদেশের পরিচিতি ছিলো শুধু কমদামী ও বেসিক ডেনিমের সস-া জিন্স ও ডেনিমওয়্যারে। দু'এক বছর ধরে ক্রেতারা কিছু দামি ফ্যাশন ডেনিম ও প্রিমিয়াম ডেনিম এর অর্ডার দিয়ে পরীক্ষা করেছেন আর সে পরীক্ষায় পাশ করেছেন আমাদের রপ্তানীকারকেরা। ক্রমশ আস্থা বাড়ছে, আরো উজ্জ্বল হচ্ছে অধিক মূল্য-সংযোজিত ডেনিমের সম্ভাবনা।

বত্রিশ বছর আগে আগে আমেরিকান এক আমদানীকারকের উদ্দেশ্যে কয়েক হাজার ডলারের এক কনসাইনমেন্ট শার্ট রপ্তানী দিয়ে শুরু হয়েছিলো বাংলাদেশের পোষাক রপ্তানীর অভিযাত্রা। শার্ট দিয়ে শুরু হলেও কয়েক বছর পরেই বটমস বা ট্রাউজার হয়ে উঠে শীর্ষপণ্য। বিগত অর্থবছরে তৈরী পোষাক শিল্পই এনেছে মোট রপ্তানী আয়ের প্রায় আটাত্তর শতাংশ- সাড়ে বারোশ' কোটি মার্কিন ডলার বা সাতাশি হাজার কোটি টাকা। এখন ডেনিম শিল্পের অভিযাত্রা সফল হলে এ দশকেই বাৎসরিক লাখ কোটি টাকা আয় হতে পারে শুধু ডেনিমওয়্যার দিয়েই।
গ্যাস-বিদু্যত হলে লাখ কোটি টাকার ডেনিমওয়ার রপ্তানী আয় নিশ্চিত করা আকাশ কুসুম কিছু নয়। বিজিএইএ প্রেসিডেন্ট ও এনভয় ডেনিমের এমডি আব্দুস সালাম মুর্শেদীও ডেনিম ড্রিম এর সওয়ার। তার মতে ''বাংলাদেশী সাপ্লায়ার্স ক্যান ডু" এই আস্থা এখন বিশ্বজুড়ে। এই আস্থা অর্জন করেছে আমাদের শ্রমিক
আর উদ্যোক্তারাই।
Source: Daily Ittefaq

বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে হলে

বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে হলে

শাহ বুলবুল
 
নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় এখন সপ্তম বছরে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এটি এরই মধ্যে বেশ সুনামের সঙ্গে এগিয়ে চলছে। নর্দান থেকে প্রায় ৩৫০০ হাজার ছাত্রছাত্রী তাদের লেখাপড়া শেষ করে প্রত্যেকেই কর্মজীবনে প্রবেশ করে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখছে। নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৫টি অনুষদের অধীনে ৮টি ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে মোট ২৩টি প্রোগ্রাম পরিচালিত হচ্ছে, যা এই প্রতিষ্ঠানটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপদান করেছে। সম্প্রতি রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে আধুনিক ক্যাম্পাস। এ ক্যাম্পাস নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স ফ্যাকাল্টির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সায়েন্স ফ্যাকাল্টিতে পরিচালিত হচ্ছে ৪টি প্রোগ্রাম— ১. বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ২, বিএসসি ইন ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ৩. বিএসসি ইন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ৪. বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং।
মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বস্ত্র। শুধু মৌলিক চাহিদাই নয়, বরং বস্ত্র খাতেই আজ আয় হচ্ছে দেশের মোট আয়ের সবচেয়ে বড় অংশ। আর বস্ত্র তৈরিতে নিয়োজিত গার্মেন্ট এবং টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিগুলোকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়াররা। দেশে বেশ কয়েকটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স অফার করছে, যেগুলোর মধ্যে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। টেক্সটাইল ডিপার্টমেন্টের জন্য এখানে রয়েছে ৬টি আধুনিক ল্যাব। ফেব্রিক কাটিং মেশিন, হ্যান্ড সক মেশিন, চেইন স্টিচ মেশিন, নিটিং মেশিন, সুয়িং মেশিন, ওভারলক মেশিন, ডায়িং অ্যান্ড ওয়াশিং মেশিন, বাটন অ্যাটাচিং মেশিন, স্পিনিং মেশিন, পাওয়ার লুম মেশিন এবং রেপরিল অ্যান্ড জিএসএম কাটার মেশিন ইত্যাদি দিয়ে সাজানো হয়েছে টেক্সটাইল ডিপার্টমেন্টের আধুনিক ল্যাবগুলো।
টেক্সটাইল ডিপার্টমেন্ট
নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য : এটি ৪ বছরের অনার্স কোর্স, যা শেষ করতে মোট ১২ সেমিস্টার সময় লাগবে। সর্বমোট ক্রেডিট ১৬৪ এবং সর্বমোট খরচ লাগবে ৪,৩৪,০৯১ টাকা। ডিপ্লোমাধারী ছাত্রছাত্রীদের জন্য : এটি ৩ বছরের কোর্স, যা শেষ করতে মোট ৯ সেমিস্টার সময় লাগবে। সর্বমোট ক্রেডিট ১৩২ এবং সর্বমোট খরচ লাগবে ২,৭৬,৩৪০ টাকা। অবশ্য উভয় ধরনের ছাত্রছাত্রীদের জন্য পৃথক এবং আকর্ষণীয় ট্যুইশন ফি ওয়েভার রয়েছে। উল্লেখ্য, প্রফেসর ড. নুরুল ইসলাম, প্রফেসর ড. এম জুলহাস উদ্দিন, প্রফেসর ড. আবুল কাশেম এবং বিশিষ্ট টেক্সটাইল বিশেষজ্ঞ এম খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে এ ডিপার্টমেন্ট পরিচালনার জন্য রয়েছে একঝাঁক তরুণ কর্মকর্তা-কর্মচারী।
চাকরির সুযোগ : বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন অনেকটাই গার্মেন্ট এবং টেক্সটাইল শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। অর্থাত্ দেশে রফতানি আয়ের প্রায় ৭৫ ভাগ আসে ফিনিশড গার্মেন্ট থেকে। দেশ-বিদেশের টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্র্রিজ, গার্মেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ, বায়িং হাউস, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, ব্যাংক, বিএসটিআই, জুট মিলস কর্পোরেশন ইত্যাদিতে রয়েছে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা। এছাড়া জাপান, জার্মানি ও ইংল্যান্ডে টেক্সটাইল সেক্টরে উচ্চতর শিক্ষার রয়েছে অপূর্ব সুযোগ।

পার্ল ইনস্টিটিউট: ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে পড়াশোনা

পার্ল ইনস্টিটিউট: ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে পড়াশোনা

শাহ বুলবুল
বিশ্বখ্যাত পার্ল একাডেমির বারিধারার ক্যাম্পাসটির নাম ‘পার্ল ফ্যাশন ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ’। মূলত এই ক্যাম্পাসের মাধ্যমেই পার্ল বাংলাদেশে তার শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
এটি বাংলাদেশের অন্যতম গার্মেন্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান; যার রয়েছে আইএসও স্বীকৃতিসহ আন্তর্জাতিকমানের ফ্যাকাল্টি। তাছাড়া পার্লই বাংলাদেশের একমাত্র ফ্যাশন ডিজাইননির্ভর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের নটিংহ্যাম ট্রেন্ট ইউনিভার্সিটিসহ সংশ্লিষ্ট অন্য আন্তর্জাতিক সেন্টারগুলোর সঙ্গে অ্যাফিলিয়েশন রয়েছে। সুতরাং বাংলাদেশের পার্ল ক্যাম্পাসে পড়াশোনা করেই একজন শিক্ষার্থী পেতে পারেন নটিংহাম ট্রেন্ট অনুমোদিত ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ।
পার্ল একাডেমি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসের শুরু থেকেই ছিল এক্ষেত্রে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে একটু ভিন্নতা এবং গুণগত মানসম্পন্ন। পার্লের সবগুলো কোর্সই শতভাগ চাকরিমুখী এবং পার্ল তার বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করে। এ ইনস্টিটিউট থেকে কোর্স সম্পন্নকারীরা এরই মধ্যে সাফল্যের সঙ্গে বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরি করছেন। বিশ্বমানের শিক্ষা, প্রযুক্তিগত সমর্থন ও ক্যারিয়ার কাউন্সিলিং সবমিলিয়ে পার্লের একজন শিক্ষার্থী বিশ্ব শ্রমবাজারে নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম হবেন। প্রকৃত অর্থে পার্ল ফ্যাশন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বিভিন্ন সময়োপযোগি কোর্স চালু রেখে দেশের পোশাক খাতে একদল সুশিক্ষিত কর্মী তৈরির চেষ্টা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্র্রতি পার্ল শুরু করেছে ফ্যাশন ডিজাইনে ৪ বছর মেয়াদি বিএ অনার্স প্রোগ্রাম।
এই প্রোগ্রামের আওতায় কোর্স ২টি হলো : ১. ফ্যাশন মার্চেন্ডাইজিং অ্যান্ড প্রোডাকশন ২. ফ্যাশন ডিজাইন। বাংলাদেশে এই প্রথম পার্লই ফ্যাশন ডিজাইনে ৪ বছর মেয়াদি বিএ অনার্স প্রোগ্রাম শুরু করল। একজন পরিপূর্ণ ফ্যাশন ডিজাইনার তৈরিতে এটি দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে মাইলফলক হয়ে থাকবে। পার্ল ফ্যাশন ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ শিক্ষার্থীদের জন্য নিশ্চিত করছে বিশ্বমানের ফ্যাকাল্টি। এখানকার শিক্ষার্থীরা ভারতে পার্ল একাডেমির নিজস্ব ক্যাম্পাসগুলো ছাড়াও বিশ্বের নামকরা ইউনিভার্সিটিগুলোতে ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুযোগ পেয়ে থাকে।
ভর্তি ও অন্যান্য তথ্যের জন্য : পার্ল ফ্যাশন ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ, বাড়ি-১১, রোড-৬, বারিধারা, ঢাকা। ফোন : ৮৮৫৭৭৬৩, ০১৭৩৩৭১৫৭৩৩।

পাখাবিহীন ফ্যান

   
ডাইসন এয়ার মাল্টিপ্লায়ার ফ্যান কোম্পানি' পাখাবিহীন ফ্যান আবিষ্কার করেছে। সম্প্রতি এ ফ্যান বাজারে এনেছে কোম্পানিটি। সম্পূর্ণ পাখাবিহীন 'লার্জার ডায়ামিটার', 'টাওয়ার ফ্যান' এবং 'পেডাসটাল' নামে তিনটি মডেল প্রাথমিকভাবে তৈরি করেছেন। এ ফ্যানগুলো পরিষ্কার করা খুব সহজ। এছাড়া প্রচুর বায়ুপ্রবাহ তৈরিতেও সক্ষম।

জানা গেছে, ডাইসন এয়ার মাল্টিপ্লায়ার ফ্যান কোম্পানির তৈরি এসব ফ্যানের ব্রাশবিহীন মোটর থেকে বায়ুপ্রবাহ তৈরি হয়। এই মোটর পাখার বদলে গোলাকার একটি চাকতির মধ্যে ঘুরতে থাকে। পাখাবিহীন এ ফ্যানে আছে ডিমার সুইচ কন্টোল। কোম্পানির দাবি, ফ্যানের পাওয়ার কন্ট্রোল করা হয় এ সুইচের মাধ্যমে। এর ফলে ফ্যানের বাতাস খুবই আরাম দায়ক হয়। ১০ ইঞ্চি টেবিল ফ্যানের দাম ৩০০ ডলার এবং ১২ ইঞ্চির দাম ৩৩০ ডলার। অন্যদিকে ৩৯.৬৫ ইঞ্চি লম্বা টাওয়ার ফ্যানের দাম ৪৫০ ডলার ও ৪৬.৭৭ থেকে ৫৫.৪৩ ইঞ্চি পর্যন্ত বড় করার অপশনসহ পেডাসটাল ফ্যানগুলোর দাম ৫০০ ডলার।
Source: Daily Bangladesh-pratidin

সাতক্ষীরায় চিংড়ির পাশাপাশি কাঁকড়া চাষ হচ্ছে

সাতক্ষীরায় চিংড়ির পাশাপাশি কাঁকড়া চাষ হচ্ছে

০০ সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় চিংড়ি চাষের পাশাপাশি কাঁকড়া চাষও একটি লাভজনক ব্যবসা হয়ে উঠেছে। এলাকার নদ-নদীতে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো কাঁকড়া নদীর পানি প্রবাহের মাধ্যমে চিংড়ি ঘেরে ঢুকে মাছের সাথে বেড়ে উঠতো। জেলার বেশ কিছু এলাকায় নদ-নদী থেকে সরাসরি চিংড়ি ঘেরে পানি প্রবাহ না থাকায় সেসব এলাকায় প্রকল্প করে বাণিজ্যিকভিত্তিতে কাঁকড়া চাষ করা হচ্ছে। দেশে উৎপাদিত এসব কাঁকড়ার আনর্্তজাতিক মান বজায় রেখে বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে।

সাতক্ষীরায় বাগদা ও গলদা চিংড়ির পাশাপাশি এখন বাণিজ্যিকভিত্তিতে কাঁকড়াও চাষ করা হচ্ছে। চিংড়ির মত কাঁকড়া চাষও লাভজনক হওয়ায় জেলার অনেক চাষি ক্রমশঃ এই চাষের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। কাঁকড়া সাধারণত প্রাকৃতিকভাবে নদীতে জন্মায়। জেলার উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে চিংড়ি চাষের জন্য নদীর লোনা পানি ঘেরে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। নদীর পানি ক্যানেল বা গেট দিয়ে চিংড়ি ঘেরে ঢুকানোর সময় তার সাথে নদীতে জন্মানো কাঁকড়ার বাচ্চাও ঘেরে চলে আসত। কোন প্রকার পরিচর্যা ছাড়াই চিংড়ির সাথে কাঁকড়াও বেড়ে উঠতো ঘেরের মধ্যে। বর্তমানে জেলার অনেক এলাকায় নদ-নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় আগের মত আর পানি সরাসরি ঘেরে উঠতে পারে না। তাই প্রাকৃতিকভাবে কাঁকড়ার বাচ্চা ঘেরে উঠতে পারছে না। ফলে জেলায় চিংড়ির ঘেরে কাঁকড়ার চাষ কমেছে। কিন্তু কাঁকড়া চাষ খুবই লাভজনক হওয়ায় চাষিরা প্রকল্প করে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কাঁকড়া চাষ শুরু করেছে। স্থানীয়ভাবে এলাকার নদ-নদীতে কাঁকড়ার বাচ্চা না পাওয়ায় এখন সুন্দরবনসহ উপকূলীয় এলাকা থেকে বাচ্চা এনে প্রকল্পে ছাড়তে হচ্ছে। বেশ লাভজনক হওয়ায় সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন অনেক চিংড়ি চাষি বাণিজ্যিকভাবে কাঁকড়া চাষের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। কিন্তু চিংড়ির মত ঘেরে ভাইরাস লাগায় কাঁকড়া চাষও বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাছাড়া বদ্ধ পানিতে চাষ করায় পানি দূষিত হয়ে অনেক সময় কাঁকড়া মারা যাচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে কাঁকড়া সিঙ্গাপুর , তাইওয়ান , চীন , মালয়েশিয়া , হংকংসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়ে থাকে । ফলে চিংড়ি মাছের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে কাঁকড়াও যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে। কাঁকড়া চাষে সরকারি সহযোগিতার দাবি জানিয়েছে চাষিরা।

কাঁকড়া চাষি বাসুদেব মণ্ডল জনান, চলতি মৌসুমে তিনি এক বিঘা জমিতে কাঁকড়া চাষ করেছেন। এতে তার খরচ হয়েছে মোট ২৪ হাজার টাকা। তিনি বলেন, সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী থেকে এখন কাঁকড়ার বাচ্চা নিয়ে আসতে হয় । তাতে খরচ পড়ে যায় একটু বেশি। তারপরও কাঁকড়া চাষ বেশ লাভজনক। এলাকার নদী মজে যাওয়ায় প্রজেক্টের পানি ঠিকমত পাল্টাতে না পারায় কাঁকড়া অনেক সময় মারা যায় ।

দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া বাজারের কাঁকড়া ব্যবসায়ী রিয়াজুল ইসলাম জানান, কাঁকড়া চাষ ও ব্যবসার সাথে এই জেলার ২০ থেকে ৩০ হাজার লোক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে। তিনি বলেন, শুধু পারুলিয়াতেই ২০-২৫ জন কাঁকড়া সরবরাহকারী রয়েছে। তারা এখান থেকে সরাসরি রপ্তানিকারকের কাছে কাঁকড়া পাঠায় । এই এলাকা থেকে প্রত্যেকদিন কমপক্ষে ১০ থেকে ১২ টন কাঁকড়া ঢাকায় পাঠান হয়। ঢাকাতে নিয়ে যাওয়ার পর পুনরায় সব কাঁকড়া গ্রেট হওয়ার পর প্যাকিং করে আনর্্তজাতিক মান বজায় রেখে বিদেশে রপ্তানি করা হয়। জেলা কাঁকড়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি অশোক কুমার দাশ জানান, সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কাঁকড়া কিনে জীবিত অবস্থায় ঝুড়িতে করে আমরা ঢাকায় পাঠাই। সাতক্ষীরা জেলা থেকে প্রতি বছর প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকার কাঁকড়া বিদেশে রপ্তানি করা হয়ে থাকে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে চিংড়ি চাষের মত কাঁকড়া চাষও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। তিনি দেশের চিংড়ি শিল্প হতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়কে আরো সমৃদ্ধ করতে কাঁকড়া চাষি ও ব্যবসায়ীদের সরকারি সহযোগিতা প্রদানের দাবি জানান।
Source: Daily Ittefaq

Saturday, October 30, 2010

সিলেটে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাম অয়েল চাষ শুরু

সিলেটে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাম অয়েল চাষ শুরু

০০ সিলেট অফিস

সিলেটের মাটিতে পাম অয়েল চাষের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে সিলেট, বালাগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে বাণিজ্যিকভিত্তিতে পাম অয়েল গাছ লাগানো শুরু হয়েছে। যদিও মালয়েশিয়ায় ব্যাপকহারে পাম অয়েল চাষ করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে থাকে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশের মাটি পাম অয়েল ফলন উপযোগী। এখানে ফলন হয়ে থাকে দেড় থেকে দ্বিগুণ। বাংলাদেশে বছরে একটি গাছে ১০-১২টি কাঁদি ধরে। মালয়েশিয়াতে প্রতি কাঁদির ওজন হয় ২০-৪০ কেজি। আর বাংলাদেশে ৪০-৬০ কেজি পর্যন্ত হচ্ছে বলে কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানান। একটি পাম গাছের চারার মূল্য ৫-৬শ' টাকা। চারার মূল্য বেশি থাকায় অনেকেই আবার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পাম চাষে এগিয়ে আসতে পারছে না।

ইতিমধ্যে সিলেট নগরীর অদূরে খাদিমনগর এলাকায় ছায়াঘেরা গহীন পাহাড় টিলার গাঁয়ে প্রকৌশলী মোস্তফা শাহরিয়ার পাম অয়েলের চাষ শুরু করেছেন। সেখানে তিনি ৫ হাজার চারা রোপণ করেছেন। চারাগুলোর বর্তমান উচ্চতা দেড় দুই ফুট। আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যেই ফলন আসবে। কৃষিবিদরা জানান, প্রতিটি গাছে অন্তত ৫০ লিটার পাম অয়েল উৎপন্ন হবে। যার বাজার মূল্য ৩ হাজার টাকা। শাহরিয়ার জানান, যদি ফলন ভালো হয় তাহলে তিনি সিলেটে পাম অয়েলের একটি মিল করার ইচ্ছা রয়েছে।

সংশিস্নষ্টরা জানান, বাড়ির পাশে অথবা পতিত জমিতে ১০০টি গাছ রোপণ করলে প্রতিবছর ৩ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। এমনকি ২টি পাম গাছ থেকে একটি পরিবারের সারা বছরের ভোজ্য তেলের চাহিদা পূরণ হয়।

কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানান, এক বিঘা জমিতে সাধারণ ফসল ফলিয়ে বছরে যেখানে ৪-৫ হাজার টাকা আয় হয়ে থাকে। সেখানে পাম অয়েল গাছ লাগিয়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা থেকে ৩ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। পাম অয়েল গাছ পরিবেশ বান্ধব ও দীর্ঘজীবী।

সূত্র মতে, বাংলাদেশে প্রথম '৭৬-৭৭ সালে হবিগঞ্জের সাতছড়িতে কিছু পাম গাছ লাগানো হয়। পরবর্তীতে '৭৯ সাল থেকে সেখানে বাণিজ্যিকভাবে পাম চাষ শুরু হয়। ইতিমধ্যে বগুড়া, খাগড়াছাড়ি, যশোর, ঢাকা, সাভার ও কুমিলস্না সেনানিবাসেও ব্যাপকহারে পাম গাছ লাগানো হয়েছে।

বেসরকারি সংস্থা গ্রিন বাংলাদেশের উদ্যোগে সিলেটের বালাগঞ্জ বাণিজ্যিকভাবে কৃষকদের উৎসাহ দান করে যাচ্ছে। তারা ধানী ও ফসলী জমির ক্ষেত ব্যবহার না করে অনাবাদি জমিতে পাম চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করছে। সংস্থাটি দেশের ৪০টি জেলার ২১৩টি থানায় পাম গাছ রোপণ করছে। একটি পাম গাছের চারার মূল্য ৫শ' ৯০ টাকা। কিস্তিতে নিলে প্রতিটি গাছের মূল্য ৮শ' ৫০ টাকা।
Source: Daily Ittefaq